বরগুনার ১৫ ইউনিয়নে প্রশাসকের দায়িত্বে সরকারি কর্মকর্তারা

মো: মিরাজ হোসেন প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:৩৫ এএম

আমতলী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নসহ বরগুনার মোট ১৫টি ইউনিয়ন পরিষদে দাপ্তরিক কার্যক্রম ও জনসেবা সচল রাখার লক্ষ্যে এই আদেশ জারি করা হয়েছে

মেয়াদোত্তীর্ণ ও জনপ্রতিনিধি শূন্য হয়ে পড়া বরগুনার ১৫টি ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক হিসেবে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি-১ শাখার উপসচিব বিষ্ণুপদ পাল স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি করা হয়।

আমতলী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নসহ বরগুনার মোট ১৫টি ইউনিয়ন পরিষদে দাপ্তরিক কার্যক্রম ও জনসেবা সচল রাখার লক্ষ্যে এই পদায়ন করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ এর ১৮ ধারা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের দাপ্তরিক কার্যক্রম সচল রাখতে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ আগস্ট বরগুনা জেলার মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়ন পরিষদগুলোর তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। যাচাই-বাছাই শেষে দুটি ইউনিয়ন- বরগুনা সদরের এম বালিয়াতলী ও আমতলী সদর ইউনিয়নের মেয়াদ বহাল থাকায় সেখানে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বাকি ১৫টি ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

যারা দায়িত্ব পেলেন

বরগুনা সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন—বদরখালীতে সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার, গৌরীচন্নায় সমবায় কর্মকর্তা মো. এমাদুল হক, ফুলঝুড়িতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিথী দেবনাথ, কেওড়াবুনিয়ায় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. নিয়াজ মাখদুম, আয়লাপাতাকাটায় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা জেরিনা আক্তার, বুড়িরচরে সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. হেমায়েত উদ্দীন, ঢলুয়ায় কৃষি কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন, বরগুনা ইউনিয়নে আইসিটি কর্মকর্তা মো. ফাইজুল হক আরিফ এবং নলটোনা ইউনিয়নে জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা দোলা মল্লিককে প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আমতলী উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন—গুলিশাখালীতে এলজিইডি কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস আলী, কুকুয়ায় সমবায় কর্মকর্তা মো. আজাদুর রহমান, আঠারগাছিয়ায় পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ফিরোজ আলম, হলদিয়ায় বন কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক, চাওড়ায় সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম ও আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নে কৃষি কর্মকর্তা মো. রাসেল প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপনের শর্ত অনুযায়ী, দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে তারা সর্বোচ্চ ১২০ দিন পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন সম্ভব না হলে কারণ উল্লেখ করে সরকারের অনুমতি নিতে হবে।

Shamiur Rahman

সম্পর্কিত