‘‘হিমবাহ যেমন কূটনীতি বোঝে না, কার্বনও কিন্তু সীমান্ত মানে না’’
চীন-ভারতের শিল্পায়নের ধোঁয়া, বদলে যাওয়া হিমালয় এবং বাংলাদেশের সামনে আসন্ন ঝুঁকি
আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন দরকার। আমরা দুর্যোগকে এখনো অনেক সময় ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ’ বলে দায় শেষ করে দিই। কিন্তু প্রকৃতি আজ আগের মতো নেই। মানুষ তার তাপমাত্রা বাড়িয়েছে, বায়ুমণ্ডল বদলেছে, পাহাড়ের বরফ বদলেছে। ফলে ঝুঁকিও বদলেছে
সম্প্রতি নেপাল-চীন সীমান্তের হিমালয় অঞ্চলে যা ঘটেছে, তাকে শুধু আরেকটি পাহাড়ি বন্যা বলে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। বরফ, পাথর, কাদা ও পানির এক ভয়াবহ ধস মুহূর্তের মধ্যে নদীর গতিপথ, জনপদ ও মানুষের জীবনকে তছনছ করে দিয়েছে।
সর্বশেষ হিসাবে নেপালে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ২৫২ ছাড়িয়েছে, নিখোঁজ ৪ হাজার ২০০-এর বেশি। প্রায় ২০ হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে বা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। চীনের তিব্বত অংশেও ২১ জন নিহত এবং ৫৪১ জন নিখোঁজের কথা জানানো হয়েছে। প্রায় ৯০০ মানুষ বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে আটকা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ঘটনার ভয়াবহতা বোঝার জন্য সংখ্যাগুলোই যথেষ্ট। কিন্তু এই বিপর্যয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা সংখ্যার বাইরে। কারণ এটি আমাদের সামনে এমন একটি প্রশ্ন রেখে গেছে, যার উত্তর শুধু নেপাল, চীন কিংবা ভারতের একার পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়—পরিবর্তিত হিমালয়ের ঝুঁকি থেকে এই অঞ্চলের মানুষকে কীভাবে রক্ষা করা যাবে?
ঘটনার শুরু হয়েছিল একটি হিমবাহ ও বরফ-পাথরের ধস থেকে। সেই ধস নদীপথে বিপুল পরিমাণ বরফ, পাথর, কাদা ও পানি নামিয়ে আনে। ধ্বংসযজ্ঞ ছড়িয়ে পড়ে ২০ কিলোমিটারেরও বেশি এলাকায় এবং নদীর নিচের দিকে ১০০ কিলোমিটারের বেশি পথ পর্যন্ত এর প্রভাব পড়ে। স্যাটেলাইট চিত্র ও অন্যান্য পর্যবেক্ষণেও ব্যাপক বরফ ও ভূমি পরিবর্তনের চিত্র উঠে এসেছে।
শুরুতে কম্পনকে ভূমিকম্প মনে করা হয়েছিল। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানায়, সেটি ছিল হিমবাহধস ও ধ্বংসাবশেষের প্রবাহের সঙ্গে সম্পর্কিত ঘটনা। বিজ্ঞানীরা অবশ্য একটি বিষয়ে সতর্ক—এই নির্দিষ্ট হিমবাহধসের সরাসরি কারণ হিসেবে বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে চূড়ান্তভাবে দায়ী করার আগে আরও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ প্রয়োজন। কিন্তু বৃহত্তর চিত্রটি আরও উদ্বেগজনক: উষ্ণতা বাড়ছে, হিমবাহ সঙ্কুচিত হচ্ছে, বরফের নিচের ভূপ্রকৃতি বদলাচ্ছে এবং হিমবাহ-হ্রদ ও পাহাড়ি ধসের ঝুঁকি বাড়ছে।
নেপালের রাজনীতিবিদ রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান জনাব রবি লামিছানে এই বিপর্যয়ের পর একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন—ভারত, চীন ও নেপাল তিনটি দেশ হলেও তাদের পাহাড়ব্যবস্থা এক। হিমালয় কোনো দেশের সীমান্তরেখা দেখে নিজেকে থামায় না; নদীও থামে না। তাঁর আহ্বান ছিল যৌথ আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার। এই বক্তব্যের ভেতরেই আসলে বাংলাদেশের জন্যও একটি বড় বার্তা আছে। কারণ নেপাল আমাদের থেকে অনেক দূরে হলেও হিমালয়ের পানি ও বরফের পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের নদী-জীবন বিচ্ছিন্ন নয়। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা অববাহিকার ভাটির দেশ বাংলাদেশ। হিমালয়ের পরিবর্তন সরাসরি প্রতিটি নেপালি বন্যাকে বাংলাদেশের বন্যায় পরিণত করবে—এমন সরল সমীকরণ অবশ্যই করা যাবে না। কিন্তু হিমালয়ের বরফ, বৃষ্টিপাত, নদীর প্রবাহ ও পাহাড়ি দুর্যোগের ধরন বদলে গেলে তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এই বিশাল নদী অববাহিকার ওপর পড়বেই। এখানেই জলবায়ু রাজনীতির সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নটি সামনে আসে।
যে দেশগুলো তুলনামূলক কম কার্বন নিঃসরণ করে, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতির বোঝা অনেক সময় তাদেরই বেশি বহন করতে হয়। নেপাল তার একটি নির্মম উদাহরণ। দেশটির বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে অবদান অত্যন্ত সামান্য। অথচ তার ভূখণ্ডে থাকা হিমালয়ই এখন জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম দৃশ্যমান পরীক্ষাগারে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে এশিয়ার বৃহৎ অর্থনীতিগুলোর কার্বন হিসাব দেখলে ছবিটি আরও স্পষ্ট হয়। গ্লোবাল কার্বন বাজেটের ২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বৈশ্বিক জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণের প্রায় ৩২ শতাংশ এসেছে চীন থেকে এবং ৮ শতাংশ ভারত থেকে। অর্থাৎ শুধু এই দুই দেশের অংশই প্রায় ৪০ শতাংশ। একই হিসাবে চীন ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় জীবাশ্ম CO₂ নির্গমনকারী দেশ এবং ভারতের নিঃসরণও দ্রুত বাড়ছে। এই সংখ্যাগুলোকে কোনো দেশকে এককভাবে অভিযুক্ত করার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক হবে না। চীন ও ভারত—দুই দেশই বিশাল জনসংখ্যা, দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিপুল জ্বালানি চাহিদার বাস্তবতার মধ্যে উন্নয়ন করছে। শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ, পরিবহন ও মানুষের জীবনমানের সঙ্গে জ্বালানি ব্যবহারের সম্পর্কও অস্বীকার করার উপায় নেই।
কিন্তু সমস্যাটি হলো—কার্বন জাতীয়তা বোঝে না। একটি দেশের কারখানা থেকে বের হওয়া উষ্ণায়নকারী গ্যাস অন্য দেশের আকাশে গিয়ে থামে না। আর শুধু কার্বন ডাই-অক্সাইড নয়, এ অঞ্চলের জন্য ব্ল্যাক কার্বন বা কালো কার্বন আরও গুরুত্বপূর্ণ। জীবাশ্ম জ্বালানি ও জৈব পদার্থ পোড়ানোর ফলে তৈরি এই সূক্ষ্ম কণাগুলো বায়ুমণ্ডলে দীর্ঘদিন থাকে না ঠিকই, কিন্তু বরফ ও তুষারের ওপর জমে তার প্রতিফলন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে সূর্যের তাপ বেশি শোষিত হয় এবং বরফ গলার গতি বাড়তে পারে। বিজ্ঞানীরা হিমালয় ও তিব্বত মালভূমির হিমবাহে দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়া থেকে ব্ল্যাক কার্বনের দীর্ঘপথ পরিবহনের প্রমাণ পেয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, দক্ষিণ এশিয়ার ব্ল্যাক কার্বন সরাসরি হিমবাহ গলন বাড়ানোর পাশাপাশি বৃষ্টিপাতের ধরনেও প্রভাব ফেলতে পারে। অর্থাৎ হিমালয়ের বরফের ওপর যে কালো কণা জমছে, তার সবটাই পাহাড়ের ওপর তৈরি হচ্ছে না। দক্ষিণ এশিয়ার সমতল ও শিল্পাঞ্চল এবং পূর্ব এশিয়ার নির্গমনও এই বৃহত্তর বায়ুমণ্ডলীয় ব্যবস্থার অংশ।
তাই প্রশ্নটি শুধু—কে কত কার্বন ছাড়ছে?—এত সরল নয়। প্রশ্ন হওয়া উচিত, কে কতটা নিঃসরণ করছে, তার কী অংশ আঞ্চলিক জলবায়ু ও হিমবাহের ওপর কী প্রভাব ফেলছে, এবং সেই ঝুঁকির খরচ কে বহন করছে? এই প্রশ্নের গুরুত্ব বোঝা যায় হিমালয়ের সাম্প্রতিক তথ্যেও। আন্তর্জাতিক পর্বত উন্নয়ন কেন্দ্র—ICIMOD-এর ২০২৬ সালের বিশ্লেষণ বলছে, ১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চলের হিমবাহের মোট আয়তন প্রায় ১২ শতাংশ এবং আনুমানিক বরফের মজুত প্রায় ৯ শতাংশ কমেছে। ১৯৭৫ সালের পর পর্যবেক্ষণ করা হিমবাহগুলোর কোথাও কোথাও বরফের পুরুত্ব ২৭ মিটার পর্যন্ত কমেছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—২০০০ সালের পর হিমবাহ ক্ষয়ের গতি আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এই অঞ্চলের প্রায় দুই বিলিয়ন মানুষ কোনো না কোনোভাবে হিমালয়ের পানি ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। ফলে হিমবাহের পরিবর্তন শুধু পাহাড়ের সমস্যা নয়; এটি পানি, কৃষি, বিদ্যুৎ, খাদ্য, জীবিকা এবং মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্ন।
এখানে আরও একটি অস্বস্তিকর বাস্তবতা আছে। হিমবাহ গলে যাওয়ার অর্থ শুধু ভবিষ্যতে পানির ঘাটতি নয়। বরফ সরে গিয়ে নতুন হিমবাহ-হ্রদ তৈরি হতে পারে। পাহাড়ের ঢাল অস্থিতিশীল হতে পারে। হঠাৎ হ্রদ ভেঙে গিয়ে নেমে আসতে পারে বিপুল পানি, বরফ, পাথর ও কাদা। অর্থাৎ জলবায়ু পরিবর্তন একদিকে দীর্ঘমেয়াদি পানির সংকট তৈরি করছে, অন্যদিকে স্বল্পসময়ে ভয়াবহ বন্যা ও ধসের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। ICIMOD-ও হিমবাহ, তুষার ও পারমাফ্রস্টের পরিবর্তনের সঙ্গে হিমবাহ-হ্রদ বিস্ফোরণ, ধস ও ধ্বংসাবশেষ প্রবাহের বাড়তি ঝুঁকির কথা বলছে। নেপালের এবারের বিপর্যয় তাই একটি সতর্কবার্তা—তবে আতঙ্ক তৈরির জন্য নয়, প্রস্তুতির জন্য।
আর সেই প্রস্তুতির প্রথম শর্ত হলো তথ্য। কোন হিমবাহ কত দ্রুত সরে যাচ্ছে, কোথায় নতুন হ্রদ তৈরি হচ্ছে, কোন পাহাড়ের ঢাল অস্থিতিশীল, কোন নদীর পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়ছে—এসব তথ্য সীমান্তের এক পাশে আটকে থাকলে অন্য পাশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে না। নেপাল ইতিমধ্যে চীনের সঙ্গে আরও উন্নত তথ্য বিনিময় ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। নেপালি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, হিমবাহ ও পানির ঝুঁকি সম্পর্কে চীনের কাছ থেকে আরও নিয়মিত ও বিস্তৃত তথ্য প্রয়োজন। চীন অবশ্য বলেছে, তারা প্রয়োজনীয় তথ্য সময়মতো ভাগ করেছে এবং দুর্গম হিমালয়ে পর্যবেক্ষণের বাস্তব সীমাবদ্ধতাও রয়েছে।
এখানেই দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটি নতুন ধরনের কূটনীতির প্রয়োজন—জলবায়ু ও দুর্যোগের-তথ্য কূটনীতি। বাংলাদেশেরও এখন শুধু ভাটির দেশ হিসেবে পানি পাওয়ার হিসাব করলে চলবে না। আমাদের প্রয়োজন হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি সমন্বিত ঝুঁকি-পর্যবেক্ষণ কাঠামো। স্যাটেলাইট ডেটা, স্বয়ংক্রিয় নদী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, রাডার, ড্রোন, হিমবাহ ও হিমবাহ-হ্রদ পর্যবেক্ষণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক পূর্বাভাস এবং সীমান্ত-পেরোনো তথ্য বিনিময়—এসবকে ভবিষ্যৎ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অংশ করতে হবে। কারণ বাংলাদেশের জন্য বিপদ শুধু নদীর পানি বাড়া নয়। নদীর প্রবাহের ধরন বদলানো, আকস্মিক অতিরিক্ত পানি, দীর্ঘস্থায়ী শুষ্কতা, পলি পরিবহনের পরিবর্তন, নদীভাঙন, কৃষি উৎপাদনে চাপ এবং উপকূলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে এগুলো একে অপরের সঙ্গে যুক্ত।
অতএব, উন্নয়নের প্রশ্নের সঙ্গে দায়িত্বের প্রশ্নটিও থাকতে হবে। চীন ও ভারতের মতো বড় অর্থনীতির জন্য এটি শুধু জাতীয় জ্বালানি নীতির বিষয় নয়; তাদের নিঃসরণের আঞ্চলিক প্রভাবের কথাও ভাবতে হবে। একই সঙ্গে নেপাল, বাংলাদেশসহ ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য প্রয়োজন অভিযোজন, প্রযুক্তি ও অর্থায়ন। সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন দরকার। আমরা দুর্যোগকে এখনো অনেক সময় ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ’ বলে দায় শেষ করে দিই। কিন্তু প্রকৃতি আজ আগের মতো নেই। মানুষ তার তাপমাত্রা বাড়িয়েছে, বায়ুমণ্ডল বদলেছে, পাহাড়ের বরফ বদলেছে। ফলে ঝুঁকিও বদলেছে।
হিমবাহ হয়তো কোনো দেশের পতাকা চেনে না। নদীও কোনো দেশের ভিসা নিয়ে ভাটিতে নামে না। আর কালো ধোঁয়াও সীমান্তে গিয়ে পাসপোর্ট দেখায় না। তাই নেপালের এই বিপর্যয়কে শুধু নেপালের দুঃখ হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি বৃহত্তর ভূগোলের সতর্কবার্তা। যে শিল্প হিমালয়ের কাছে কার্বন পাঠায়, তাকে হিমালয়ের ভবিষ্যতের দায়ও স্বীকার করতে হবে।
হিমালয় হয়তো আজই ভেঙে পড়বে না। কিন্তু তার প্রাকৃতিক নিরাপত্তাব্যবস্থা যদি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যায়, তার নিচে দাঁড়িয়ে থাকা কোটি মানুষের নিরাপত্তাও আগের মতো থাকবে না। সেদিন আর প্রশ্ন হবে না—কার কার্বন, কার হিমবাহ, কার নদী। প্রশ্ন হবে—আমরা সতর্কবার্তাটি পাওয়ার পরও কেন প্রস্তুতি নিইনি? “কার্বন সীমান্ত পেরিয়ে যায়, হিমবাহ ভেঙে পড়ে, নদী ভাটিতে নামে—কিন্তু বিপর্যয়ের চূড়ান্ত মূল্য শেষ পর্যন্ত দিতে হয় সাধারণ মানুষকেই।”
লেখক একজন বিশিষ্ট কলামিস্ট, নীতি বিশ্লেষক ও উন্নয়ন কর্মী
Shamiur Rahman
