গাজীপুরে ওষুধ কারাখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ
গাজীপুরের টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ২০ ইউনিট, সেনাবাহিনীর দমকলকর্মী, বিজিবি ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সহায়তায় এই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ।
মহাপরিচালক বলেন, সাত তলা ভবনের দ্বিতীয় ও চতুর্থ তলায় আগুন লাগে। ইনজেকশনসহ জরুরি ওষুধে আগুন লাগার কারণে ঘটনাস্থলে থাকা ভুক্তভোগীদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক নির্দেশনা মোতাবেক সকল বাহিনী জরুরি ভিত্তিতে যৌথভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করি। মোট ২১টি ইউনিটের আপ্রাণ চেষ্টায় দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে আরও সময় লাগবে।
আগুনে কোনো হতাহত হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের একজন কর্মী আহত হয়েছেন। তার শ্বাসকষ্ট হয়েছে। আমরা দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।

টঙ্গী শিল্প এলাকার স্কুইব রোডে অবস্থিত ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডে ইউনিট-২-এর সাত তলা ভবনের চার তলায় সকাল সোয়া ১০টার দিকে আগুন লাগে। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে কর্তৃপক্ষ ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। সেনাবাহিনী, এসআরবি, পুলিশ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনসহ ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
সরেজমিন জানা যায়, সকাল ১০টার দিকে আগুন দেখে কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু আগুনের ব্যাপকতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। খবর পেয়ে টঙ্গী, সাভার, গাজীপুর, আশুলিয়া, ঢাকাসহ ফায়ার সার্ভিসের ২১ ইউনিট, সেনাবাহিনী, বিজিবি, এসআরবি, গাজীপুর সিটি করপোরেশন আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। এতে ঘটনাস্থল ঘিরে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকার গণপরিবহন ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে যায়। বেলা ১টা ৩৫ মিনিটে আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বাদল বলেন, কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থায় আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হলেও আগুনের তীব্রতার কারণে পরিস্থিতি সামাল দিতে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সহায়তা নেওয়া হয়েছে।
Shamiur Rahman
