ঢাকার আইন শৃঙ্খলা উন্নয়নে দায়িত্ব পেলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু

শাহীন আব্দুল বারী প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১০:৫১ পিএম

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়

দেশের আইনশৃঙ্খলা, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে বিভিন্ন জেলার দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকার দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন জেলায় আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলি তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক জরুরি কর্মসূচি হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নির্মূল নিশ্চিত করা। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে আরও কার্যকর তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকার মতো দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জেলার দায়িত্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে দেওয়াকে তাঁর প্রতি সরকারের আস্থা ও প্রত্যাশার গুরুত্বপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন দায়িত্বে তিনি ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের তদারকিতে ভূমিকা রাখবেন।

এদিকে, টাঙ্গাইলের সন্তান সুলতান সালাউদ্দিন টুকু রাজধানী ঢাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার দায়িত্ব পাওয়ায় টাঙ্গাইলবাসীর মধ্যেও আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মনে করছেন, জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা টুকুর ওপর ঢাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার দায়িত্ব অর্পণ টাঙ্গাইলের জন্যও গর্বের বিষয়।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের কারণে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নতুন দায়িত্বে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করছেন তাঁর রাজনৈতিক সহকর্মীরা।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু- যার নামই একটা ব্র্যান্ড। যে ব্র‍্যান্ড একদিনে তৈরি হয়নি; দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ আর প্রতিকূলতার আগুনে পুড়তে পুড়তে আজ খাঁটি সোনায় পরিণত হয়েছেন।

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া- বিএনপির নেতাকর্মীদের আপদে-বিপদে যিনি সবসময় পাশে থাকেন, তিনি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। আর এ কারণেই নেতাকর্মীরাও তাকে জীবন দিয়ে ভালোবাসেন। শুধু একবার সালাম দেয়ার জন্যও অনেকে শত শত কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ছুটে আসেন। তিনিও কাউকে নিরাশ করেন না; সবার সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলেন এবং মনোযোগ দিয়ে তাদের কথা শুনেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু একদিনে তৈরি হননি। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় যেসব নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষ তাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছেন, তাদের নিয়েই তিনি আজীবন পথ চলতে চান। মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি।

দুঃসময়ে দলের পাশে থাকা নেতারাই ইতিহাসে আলাদা করে স্মরণীয় হয়ে থাকেন। টাঙ্গাইলের সুলতান তেমনই একজন সংগ্রামী নেতা—দলের কঠিন সময়ে যিনি সাহস, ত্যাগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে দলের জন্য কাজ করে গেছেন।

দলের প্রতি তাঁর দীর্ঘদিনের ত্যাগ, অবদান ও নিষ্ঠার কারণেই তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার কারণে তিনি আজ সারা বাংলাদেশে সম্মানের সঙ্গে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

ত্যাগ, সংগ্রাম ও মানুষের ভালোবাসায় তিনি আজ টাঙ্গাইল সহ সারাদেশের গর্ব। তাঁর এই পথচলা আরও দীর্ঘ হোক, মানুষের কল্যাণে তাঁর ভূমিকা আরও বিস্তৃত হোক—এই প্রত্যাশা টাঙ্গাইল বাসির।

যা কথা, তাই কাজ। নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে টাঙ্গাইল-৫ সদর আসনের মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি ।

মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং সাদামাটা জীবনযাপনের মাধ্যমে অল্প সময়েই তিনি জায়গা করে নিয়েছেন মানুষের হৃদয়ে। ক্ষমতার দূরত্ব তৈরি না করে মানুষের কথা শোনা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও জনগণের দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ায় বাড়ছে তার প্রতি মানুষের আস্থা।

জনগণের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখে বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

একজন জনপ্রতিনিধি যে অল্প সময়ের মধ্যেই মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারেন, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যেন তারই উদাহরণ।

যা কথা, তাই কাজ—এই প্রত্যয়ে মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়েই এগিয়ে চলেছেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মাদক প্রতিরোধ, রাস্তা-ঘাট, কালবার্ট-ব্রিজ, বেকারত্ব দূরীকরণ, বেরিবাদ নির্মাণ, মাদ্রাসা-মসজিদে অনুদান এবং পর্যটন করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন জননেতা সুলতান। ইতোমধ্যে নিজ উদ্যোগে ডিসি লেক এর কচুরিপানা পরিষ্কার করেছেন। সেখানেও মিনি পর্যটন করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। টাংগাইল সদরের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু শুধু রাজনৈতিক নেতা নয়,তিনি সকলের প্রিয় বন্ধু।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদক থেকে ভোক্তা, সব পর্যায়ে পদক্ষেপ নিয়েছেন।

খাদ্য নিরাপত্তা, প্রাণিসম্পদ উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্য উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়ানোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেওয়া পদক্ষেপ, কোরবানির ঈদে দেশীয় পশুর চাহিদা পূরণ, ন্যায্যমূল্যে প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ, চিড়িয়াখানার আধুনিকায়ন, দেশীয় ভ্যাকসিন উদ্ভাবন এবং মৎস্য রপ্তানি বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগসহ সরকারের সব ধরনের পরীক্ষায় পাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু।

Shamiur Rahman

সম্পর্কিত