জুলাই শহীদ জাহিদের পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত; মা'কে চাকরির আশ্বাস
ক্যান্সার আক্রান্ত জিসানের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন ফাতেমা তুজ জোহরার বড় ছেলে আব্দুল্লাহ বিন জাহিদ। ঐ ঘটনার মাত্র দুই সপ্তাহ পর পরিবারের ছোট ছেলে মাহমুদুল্লাহ বিন জিসানের ক্যান্সার ধরা পড়ে। আর সাত মাস পর মারা যান পরিবারের কর্তা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা ক্যান্সারে আক্রান্ত ছোট ছেলে মাহমুদুল্লাহ বিন জিসানকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী জিসানের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি ফাতেমা তুজ জোহরাকে চাকরির আশ্বাস দেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) দুপুরে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন 'আমরা বিএনপি পরিবার'-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন।
সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী জিসানের চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান এবং পরিবারের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন। একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন ফাতেমা তুজ জোহরার বড় ছেলে আব্দুল্লাহ বিন জাহিদ। ঐ ঘটনার মাত্র দুই সপ্তাহ পর পরিবারের ছোট ছেলে মাহমুদুল্লাহ বিন জিসানের ক্যান্সার ধরা পড়ে। আর সাত মাস পর মারা যান পরিবারের কর্তা। একের পর এক এই শোক ও সংকটে পরিবারটি চরম মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে।
পরিবারের দাবি, ক্যান্সার আক্রান্ত জিসানের ব্যয়বহুল চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করে তাদের পাশে দাঁড়ান তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর উদ্যোগে এবং 'আমরা বিএনপি পরিবার'-এর আহ্বায়ক (বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব) আতিকুর রহমানের তত্ত্বাবধানে জিসানের চিকিৎসা শুরু হয়।
পরিবারটির ভাষ্য অনুযায়ী, শুরু থেকেই আতিকুর রহমানের মাধ্যমে নিয়মিত জিসানের চিকিৎসার খোঁজখবর নিতেন তারেক রহমান। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক তত্ত্বাবধানেই জিসানের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে।
Shamiur Rahman
