সাড়ে ৩ লাখে বিদেশযাত্রা: লাওসে চাকরি, মিয়ানমারে দাসত্ব

মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি দুই শতাধিক বাংলাদেশি

সামিউর রহমান প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬ ০১:০০ পিএম

মিয়ানমারের মিয়াওয়াদ্দিতে অবস্থিত কে কে পার্কের অভ্যন্তরে বিশাল এলাকাজুড়ে নির্মিত এবং কঠোরভাবে সুরক্ষিত একটি স্ক্যাম সেন্টার

লাওসে কম্পিউটার অপারেটর পদে ভুয়া চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিক্রি, মিয়ানমারে নিয়ে নারী সেজে প্রতারণায় বাধ্য করা, অনৈতিক প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় ইলেকট্রিক শক এবং অমানুষিক নির্যাতন

ভালো বেতনের চাকরির আশায় বিদেশে পাড়ি দিয়েছিলেন রাজবাড়ীর আমজাদ হোসেন। উদ্দেশ্য ছিল ব্যবসায় লোকসানের পর তৈরি হওয়া প্রায় ৩০ লাখ টাকার ঋণ শোধ করে স্ত্রী ও এক মেয়েকে নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা। কিন্তু বিদেশে যাওয়ার সেই স্বপ্নই তাঁকে ঠেলে দেয় মানবপাচারের ভয়াবহ ফাঁদে।

লাওসে কম্পিউটার পরিচালনার চাকরির কথা বলে সাড়ে তিন লাখ টাকা নেওয়ার পর তাঁকে বিক্রি করে দেওয়া হয় একটি চক্রের কাছে। এরপর নারী সেজে পুরুষদের সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে অনলাইনে অর্থ হাতিয়ে নিতে বাধ্য করা হয়। সেখান থেকে আবার তাঁকে বিক্রি করা হয় মিয়ানমারের একটি স্ক্যাম কম্পাউন্ডে।

মিয়ানমারে আসার পর সেখানে দিনে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ, সামান্য ভুলে মারধর, ইলেকট্রিক শক, খাবার বন্ধ করে দেওয়া—এমন ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হন তিনি। গত ১৫ জুলাই ২৫ থেকে ৩০ জনের সঙ্গে পালানোর চেষ্টা করে ধরা পড়ার পর তাঁকে মৃতপ্রায় অবস্থায় জঙ্গলে ফেলে যায় নির্যাতনকারীরা। সেখান থেকে কোনওভাবে থাইল্যান্ডে পৌঁছে এখন চিকিৎসাধীন আমজাদ।

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেও এখনও ক্ষণে ক্ষণে মূর্ছা যাচ্ছেন তিনি। শরীরে নির্যাতনের অসংখ্য চিহ্ন, ভাঙা আঙুল। সামনে পড়ে আছে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ঋণের বোঝা।

চাকরির প্রলোভনে সাড়ে ৩ লাখ টাকা

রাজবাড়ীর বাসিন্দা আমজাদ হোসেন একসময় ব্যবসা করতেন। ব্যবসায় বড় ধরনের লোকসান হওয়ায় ঋণের বোঝা বাড়তে থাকে। সংসারে স্ত্রী ও এক মেয়েকে নিয়ে আর্থিক সংকট কাটাতে বিদেশে ভালো বেতনের চাকরির সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

এজন্য রাজধানীর নয়াপল্টনে এইচই ট্রাভেলসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন আমজাদ। তাঁকে বলা হয়, লাওসে কম্পিউটার পরিচালনার কাজ দেওয়া হবে। বেতন ভালো এবং থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও থাকবে। এমন কথা শুনে সরল বিশ্বাসে উক্ত এজেন্সিকে সাড়ে তিন লাখ টাকা দেন তিনি।

এক মাসের মধ্যে বিদেশ পাঠানোর কথা থাকলেও তাঁকে অপেক্ষা করতে হয় প্রায় আট থেকে নয় মাস। অবশেষে ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর বিএমইটির ছাড়পত্র নিয়ে লাওসের উদ্দেশে রওনা হন তিনি।

লাওসে পৌঁছেই বদলে যায় স্বপ্নের গল্প

লাওসে পৌঁছানোর পর প্রায় একমাস এইচই ট্রাভেলসের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগ ছিল না। পরে আমির ও সাজ্জাদ নামের দুজনের মাধ্যমে তাঁকে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়। সেখানে যাওয়ার পর আমজাদ জানতে পারেন, তিনি চাকরির জন্য আসেননি—তাঁকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

কম্পিউটার পরিচালনার চাকরির পরিবর্তে তাঁকে নারী সেজে পুরুষদের সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করতে এবং নানা কৌশলে তাঁদের কাছ থেকে টাকা আদায় করতে বাধ্য করা হয়।

প্রথমে এমন অনৈতিক কাজ করতে অস্বীকৃতি জানালে আমজাদের উপর নেমে আসে ভয়াবহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। পরে, শর্ত মেনে প্রায় তিন মাস কাজ করা সত্বেও একটি টাকাও বেতন পাননি তিনি। এরপর আবার তাঁকে বিক্রি করে পাঠানো হয় মিয়ানমারে।

নৌকা ও ১৯টি গাড়ি বদলে পাচার

মিয়ানমারে যাওয়ার পথটিও ছিল ভয়াবহ। আমজাদের ভাষ্যমতে, নৌকা এবং প্রায় ১৯টি গাড়ি বদল করে তাঁকে একটি পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ছিল কঠোর নিরাপত্তা ও নজরদারি। দিনে প্রায়শই ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে বাধ্য করা হতো।

সামান্য ভুল হলেই মারধর করা হতো। কখনো দেওয়া হতো ইলেকট্রিক শক। অনলাইন প্রতারণার কাজে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানালে খাবার বন্ধ করে দেওয়া কিংবা শারীরিক নির্যাতন করা হতো বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

পালাতে গিয়ে ধরা, তারপর মৃতপ্রায় অবস্থায় জঙ্গলে

অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত ১৫ জুলাই প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জনের সঙ্গে পালানোর চেষ্টা করেন আমজাদ। কিন্তু তাঁদের পালানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ধরা পড়ার পর তাঁর ওপর চালানো হয় ভয়াবহ নির্যাতন। এক পর্যায়ে মৃতপ্রায় অবস্থায় তাঁকে জঙ্গলে ফেলে যায় নির্যাতনকারীরা।

পরে, অপর এক পাচারকারীর সহায়তায় কোনোভাবে থাইল্যান্ডে পৌঁছান তিনি। প্রায় দুই দিন না খেয়ে থাকার পর এক অস্ট্রেলীয় মানবাধিকারকর্মীর সহায়তায় নিরাপদ আশ্রয় পান।

বর্তমানে থাইল্যান্ডে মাইগ্রেশন ওয়ার্কারদের সহযোগিতায় চিকিৎসাধীন আমজাদ। তার শরীর জুড়ে নির্যাতনের চিহ্ন, ভাঙা আঙুল এবং গুরুতর শারীরিক দুর্বলতা। এখনও তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না।

মিয়ানমারে আটকা দুই শতাধিক বাংলাদেশি

আমজাদের মতো আরও দুই শতাধিক বাংলাদেশি বর্তমানে আটকা রয়েছেন মিয়ানমারের একটি স্ক্যাম কম্পাউন্ডে। সেখান থেকে পালিয়ে আসা ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন এই তথ্য।

বিশ্বস্ত সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৬ জন বাংলাদেশি ওই কম্পাউন্ড থেকে পালাতে সক্ষম হন। এর মধ্যে চারজন থাইল্যান্ডের মেসোট শহরে পৌঁছেছেন।

গত ৫ আগস্ট সন্ধ্যায় তাঁরা মেসোট অভিবাসন পুলিশের কাছে মানবপাচারের শিকার হিসেবে আত্মসমর্পণ করেন। বর্তমানে তাঁদের জাতীয় পুনর্বাসন ব্যবস্থার আওতাধীন একটি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

চারজনের মধ্যে একজন শারীরিক নির্যাতনের কারণে অসুস্থ থাকায় মেসোটের একটি বেসরকারি সংস্থার নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্য দুই বাংলাদেশি এখনও মিয়ানমার-থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছে অবস্থান করছেন। তাঁরা থাইল্যান্ডে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছেন।

তিন হাজারের বেশি মানুষ বন্দি?

ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য আরও ভয়াবহ। তাঁদের দাবি, ওই স্ক্যাম কম্পাউন্ড এলাকায় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের তিন হাজারের বেশি মানবপাচারের শিকার ব্যক্তি আটকে আছেন।

দ্য ফিন্যান্স টুডের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, কম্পাউন্ডের ভেতরে প্রায় ১৫ থেকে ১৬টি চীনা নিয়ন্ত্রিত স্ক্যাম প্রতিষ্ঠান বা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের আটকে রেখে জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

পাহাড়ের ওপর বিশাল কম্পাউন্ড, ভেতরে বন্দিজীবন

ফিরে আসা একাধিক ভুক্তভোগীর কাছ থেকে পাওয়া ছবি ও ভিডিওতে ওই স্ক্যাম কম্পাউন্ডের চিত্র উঠে এসেছে। পাহাড়ের ওপর বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে নির্মিত একাধিক ভবনে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে তাঁদের দাবি।

ভিডিওতে সেখানে আটক থাকা ব্যক্তিদের ওপর নির্যাতনের দৃশ্যও দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৫ মিনিট মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়। কেউ বের হওয়ার চেষ্টা করলে দাবি করা হয় মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ। অন্যদিকে, নির্দেশ অমান্য করলে চলে মারধর, ইলেকট্রিক শক, খাবার বন্ধ করে দেওয়া এবং অন্যান্য শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।

উল্লেখ্য, অতীতে চীনা নাগরিকদের নেতৃত্বে এই ধরনের বেশ কিছু স্ক্যাম সেন্টার পরিচালিত হতো কম্বোডিয়ায়। তবে, দেশটির সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে এসব কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়ার পর মানব পাচারকারী চক্র মিয়ানমারে নতুন করে তাদের ঘাঁটি গড়ে তোলে। বর্তমানে মিয়ানমারের বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টারে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের পাচারের শিকার ব্যক্তিদের আটকে রেখে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

থাইল্যান্ড হয়ে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ

ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের ব্যবস্থাপক আল-আমিন নয়ন মিয়ানমারের স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে পালিয়ে আসা বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

এই প্রতিবেদককে তিনি বলেন, মিয়ানমারের স্ক্যাম কম্পাউন্ড এলাকা থেকে সরাসরি বাংলাদেশে ফিরে আসা অত্যন্ত কঠিন। এজন্য অতীতের ন্যায় থাইল্যান্ড হয়ে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এক্ষেত্রে থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাস ও কনসুলেটের সহযোগিতা নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

আল-আমিন নয়ন বলেন, “আটকে পড়া বাংলাদেশিদের উদ্ধার, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশে ফিরিয়ে আনতে রাষ্ট্রকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে।”

‘শুধু প্রত্যাবাসন নয়, মানবপাচার ও সাইবার অপরাধের তদন্ত প্রয়োজন’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও বিশেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা তানভীর হাসান জোহা মনে করেন, এই বিষয়টিকে কেবল প্রত্যাবাসন হিসেবে দেখলে চলবে না।

তার মতে, “এই মুহূর্তে বিষয়টিকে শুধু প্রত্যাবাসন ইস্যু হিসেবে না দেখে বাংলাদেশ নেতৃত্বাধীন আন্তর্দেশীয় মানবপাচার ও সাইবার অপরাধের তদন্ত হিসেবে ঘোষণা করা উচিত।”

তিনি আরও বলেন, থাইল্যান্ডে পালিয়ে আসা ছয়জনকে সুরক্ষিত ভুক্তভোগী হিসেবে রেখে তাঁদের ডিজিটাল, আর্থিক ও অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য কাজে লাগাতে হবে। এর মাধ্যমে মিয়ানমারের স্ক্যাম কম্পাউন্ডে আটক বাংলাদেশিদের যাচাইকৃত তালিকা ও সুনির্দিষ্ট অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে।

এরপর থাইল্যান্ডের সঙ্গে সমন্বিতভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রের কাছে এখন বড় প্রশ্ন

মানবপাচারের শিকার হয়ে বিদেশে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হওয়া বাংলাদেশিদের সংখ্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। তবে মিয়ানমারের স্ক্যাম কম্পাউন্ডে আটকে থাকা বাংলাদেশিদের বিষয়ে নতুন করে যে তথ্য সামনে এসেছে, তা আরও গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

আমজাদ হোসেনের ঘটনা দেখিয়ে দিয়েছে, বিদেশে চাকরির স্বপ্ন দেখানো কীভাবে একজন মানুষকে মানবপাচারের ভয়াবহ ফাঁদে ফেলতে পারে। সাড়ে তিন লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে যাওয়া আমজাদ মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে চিকিৎসাধীন। তাঁর শরীরে নির্যাতনের ক্ষত, হাতে ভাঙা আঙুল, মনে ভয়াবহ আতঙ্ক আর মাথায় প্রায় ৩০ লাখ টাকার ঋণ।

আর মিয়ানমারের সেই স্ক্যাম কম্পাউন্ডে এখনও আটকে থাকার অভিযোগ রয়েছে শত শত বাংলাদেশির। তাঁরা কি জীবিত আছেন? কোথায় আছেন? তাঁদের মধ্যে কতজন গুরুতর নির্যাতনের শিকার? কারা এই মানবপাচার ও সাইবার অপরাধ চক্রের সঙ্গে জড়িত? কীভাবে তাঁদের উদ্ধার করা হবে?

এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার পাশাপাশি মিয়ানমারে আটকে পড়া বাংলাদেশীদের দ্রুত উদ্ধার, নিরাপদ প্রত্যাবাসন এবং মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা এখন অত্যন্ত জরুরি।

এই বিষয়ে জানতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মুঠোফোনে  একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারগুলোতে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের আটকে রেখে প্রতারণামূলক কাজে বাধ্য করার অভিযোগ নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি করেছে। পাচারের শিকার এসব বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার দাবি উঠেছে।

Shamiur Rahman

সম্পর্কিত