শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড উত্তপ্ত লড়াই
আটলান্টা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় মিনিটে শুরুটা করেছিলেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস, কাঁধে ধাক্কা দিয়েছিলেন জুড বেলিংহামকে। এরপর থেকে দুই দলই শারীরিক সংঘর্ষে প্রতিপক্ষকে মানসিকভাবে টলিয়ে দেওয়ার মিশনে নেমেছে যেন
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা ম্যাচ দারুণ উত্তেজনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই দুই দলের ফুটবলাররা যেন উত্তপ্ত হয়েছিল, যার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে মাঠের খেলায়।
আটলান্টা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় মিনিটে শুরুটা করেছিলেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস, কাঁধে ধাক্কা দিয়েছিলেন জুড বেলিংহামকে। এরপর থেকে দুই দলই শারীরিক সংঘর্ষে প্রতিপক্ষকে মানসিকভাবে টলিয়ে দেওয়ার মিশনে নেমেছে যেন।
এদিকে, বিশ্বকাপের হাই-ভোল্টেজ দ্বিতীয় সেমিফাইনালে গোল আদায়ে প্রথম দিকে বলার মতো তেমন কোনো আক্রমণ তৈরি করতে পারেনি কোনো দলই। যদিও ১৯ মিনিটে এমি মার্তিনেজ একটা সুযোগ থামিয়েছেন বটে, তবে সেটাকে সুযোগের চেয়ে হাফ চান্স বলাই শ্রেয়।
তবে হাইড্রেশন ব্রেকের পর গোল আদায়ে উভয় দল আক্রমণ চালিয়ে যায়। তবে, ইংল্যান্ডের চেয়ে আর্জেন্টিনার আক্রমণের ধার ছিলো অনেক বেশি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে আর্জেন্টিনা একের পর এক আক্রমন চালিয়ে গেলেও গোল আদায় করতে পারেনি।
উল্টো ৫৫ মিনিট গর্ডনের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় টমাস টুখেলের দল। ডান প্রান্তে মরগান রজার্সের ক্রসে দারুণ এক গোলে ইংলিশদের এগিয়ে দিয়েছেন অ্যান্থনি গর্ডন।
আটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়া এই ম্যাচে জয়ী দল ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে।
Shamiur Rahman
