সুধারাম থানায় জিডি, প্রতিকার না পাওয়ার দাবি; নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার

হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই পৈত্রিক ভবন ভাঙচুরের অভিযোগ

শেহাব উদ্দিন আহমেদ টিপু প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৫:৩৩ পিএম

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রবিউল হক গং পৈত্রিক ভবনে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালান। ভবনের বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষতিসাধনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করারও অভিযোগ করেন তারা

নোয়াখালীতে আদালতে মামলা চলমান এবং হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় পৈত্রিক ভবনে জোরপূর্বক প্রবেশ করে ভাঙচুর ও স্থাপনার ক্ষতিসাধনের অভিযোগ উঠেছে রবিউল হক গংয়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় সুধারাম থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেও প্রতিকার না পাওয়ার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রবিউল হক গং পৈত্রিক ভবনে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালান। ভবনের বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষতিসাধনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করারও অভিযোগ করেন তারা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ভবনটির দ্বিতীয় তলায় তারা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন। নিচতলা খালি থাকায় সেখানে রবিউল হক গং জোরপূর্বক অবস্থান নিয়ে ভাঙচুর চালাচ্ছেন বলে তাদের অভিযোগ। বিষয়টি পুলিশকে জানিয়ে জিডি করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের।

সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, আদালতের আদেশ অমান্য করে কেউ যেন পৈত্রিক সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ বা স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ভবিষ্যতে কোনো সদস্যের জানমাল বা সম্পদের ক্ষতি হলে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহযোগিতা, উসকানি কিংবা সমর্থনকারীদের ভূমিকা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

তারা বলেন, কোনো সংঘাত বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার পক্ষে তারা নন। আদালতের আদেশ ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে শান্তিপূর্ণ ও আইনগত প্রক্রিয়ায় বিরোধের নিষ্পত্তি চান।

এই অবস্থায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর, পৈত্রিক ভবনে অনধিকার প্রবেশ ও ভাঙচুর বন্ধ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুধারাম থানা, পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

রবিউল হক গংয়ের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

Shamiur Rahman

সম্পর্কিত